Verse of ale Imran for today
﴿وَكَأَيِّنْ مِنْ نَبِيٍّ قَاتَلَ مَعَهُ رِبِّيُّونَ كَثِيرٌ فَمَا وَهَنُوا لِمَا أَصَابَهُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَمَا ضَعُفُوا وَمَا اسْتَكَانُوا وَاللَّهُ يُحِبُّ الصَّابِرِينَ (146) وَمَا كَانَ قَوْلَهُمْ إِلَّا أَنْ قَالُوا رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَإِسْرَافَنَا فِي أَمْرِنَا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَانْصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ (147) فَآتَاهُمُ اللَّهُ ثَوَابَ الدُّنْيَا وَحُسْنَ ثَوَابِ الْآخِرَةِ وَاللَّهُ يُحِبُّ الْمُحْسِنِينَ (148)﴾ [سورة آل عمران:146-148].
আয়াতসমূহের আলোচ্যবিষয়: আল্লাহর পথে সংগ্রাম ও ধৈর্যের শিক্ষা।
আয়াতসমূহের সরল অনুবাদ:
১৪৬। আর কত নবী ছিল, যার সাথে থেকে লড়াই করেছেন অনেক রাব্বানী লোক। তবে তারা হীনবল হয়নি ঐ বিপর্যায়ের জন্য, যা তাদেরকে আল্লাহর পথে অবিচল থাকতে স্পর্শ করেছিল, তারা দুর্বল হয়নি এবং নত হয়নি। আর আল্লাহ ধৈর্যশীলদেরকে ভালোবাসেন ।
১৪৭। এই কথা বলা ছাড়া তাদের কোন কথা ছিল না যে, হে আমাদের রব! আমাদের পাপ ক্ষমা করুন, আমাদের কর্মে আমাদের সীমালঙ্ঘন ক্ষমা করুন এবং আমাদের পাসমূহ অবচিল রাখুন; আর আমাদেরকে কাফির সম্প্রদায়ের উপর বিজয় দিন।
১৪৮। অতঃপর আল্লাহ তাদেরকে দুনিয়ার প্রতিদান এবং আখেরাতের উত্তম সওয়াব দিলেন। আর আল্লাহ মুহসিনদেরকে ভালোবাসেন।
আায়াতসমূহের ভাবার্থ:
উহুদের যুদ্ধের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আল্লাহ তাআলা এই আয়াতগুলোতে মুসলমানদের শিক্ষা ও উপদেশ দিয়েছেন। প্রথম আয়াতে তিনি অতীতের নবী ও তাঁদের অনুগামীদের দৃঢ়তা ও সাহসিকতার দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন। উহুদের কঠিন মুহূর্তে যখন কিছু মুসলমান ভয় ও বিভ্রান্তিতে রাসূলুল্লাহর (সা.) পাশ থেকে সরে যায়, তখন আল্লাহ স্মরণ করিয়ে দেন বহু নবী-রাসূল এমন ছিলেন, যাঁদের সঙ্গে অসংখ্য আল্লাহভীরু, জ্ঞানী ও নেক লোক যুদ্ধ করেছেন। তারা আল্লাহর পথে বিপদের মুখে কখনো দুর্বল হয়নি, ভয় পায়নি, শত্রুর কাছে মাথাও নত করেনি। বরং নবীদের পাশে থেকে অটল সাহস ও ধৈর্যের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে গেছে, যদিও তাদের অনেকেই আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে বা জীবন দিয়েছে। আল্লাহ তাদের এই অবিচল ধৈর্যের জন্য ভালোবেসেছেন, কারণ আল্লাহ ধৈর্যশীলদের ভালোবাসেন।
পরবর্তী আয়াতে আল্লাহ তাআলা সেই ঈমানদার যোদ্ধাদের অন্তরের অবস্থা বর্ণনা করেছেন। তারা যুদ্ধের ভয় ও বিপদের মাঝেও হতাশ হয়নি; বরং নিজেদের ভুল ও গুনাহের দিকে দৃষ্টি ফিরিয়েছে। তারা বিনীত কণ্ঠে প্রার্থনা করেছে- “হে আমাদের প্রভু, আমাদের গুনাহ ও আমাদের কাজে সীমা অতিক্রমের জন্য ক্ষমা করো, আমাদের পদক্ষেপকে দৃঢ় করো এবং অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করো”। এই দোয়ায় ফুটে উঠেছে তাদের বিনয়, আত্মসমালোচনা ও আত্মশুদ্ধির আকাক্সক্ষা। সত্যিকারের মুমিন জানে, পরাজয়ের মূল কারণ নিজের গাফিলতি ও গুনাহ। তাই সে সবসময় তওবা করে এবং আল্লাহর সাহায্য কামনা করে।
শেষ আয়াতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন যে, যারা ধৈর্য, দোয়া ও আন্তরিকতার সঙ্গে তাঁর পথে অবিচল থেকেছে, তিনি তাদের দান করেছেন উভয় জগতের পুরস্কার। দুনিয়ায় তারা পেয়েছে বিজয়, সম্মান ও প্রতিষ্ঠা; আর পরকালে তারা পেয়েছে জান্নাত, চিরসুখ ও আল্লাহর সন্তুষ্টি। আল্লাহ এমন মানুষদের ভালোবাসেন, যারা কাজ করে নিষ্ঠার সঙ্গে, সৎ উদ্দেশ্যে এবং সুন্দরভাবে, এদেরই বলা হয় “মুহসিন” বা সৎকর্মশীল। (আইসার আল-তাফাসীর, জাযায়েরী: ১/৩৮৮; তাফসীর আল-মুনীর, জুহাইলী: ৪/১১৩-১১৪; আল-তাফসীর আল-মুয়াস্সার: ১/৬৮; আল-মুনতাখাব: ১/১১১) ।
এই তিনটি আয়াত একত্রে মুমিনদের শিক্ষা দেয় যে, পরাজয় বা বিপর্যয় কখনোই হতাশার কারণ নয়। বরং তা আত্মসমালোচনা, ধৈর্য ও আত্মশুদ্ধির আহ্বান। অতীত নবী ও তাঁদের সাথীদের মতো আমাদেরও উচিত দৃঢ় বিশ্বাসে অবিচল থাকা, আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করা এবং নৈতিক সাহসকে জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় অবলম্বন করা। তখনই আল্লাহ দুনিয়াতে বিজয় ও মর্যাদা দান করবেন এবং আখিরাতে পরম সফলতার সম্মান দান করবেন।
আয়াতসমূহের বিরল শব্দের ব্যাখ্যা:
﴿رِبِّيُّونَ﴾ ‘আল্লাহওয়ালাগণ’, আয়াতাংশের অর্থ হলো- আল্লাহভীরু মানুষ, জ্ঞানী, সৎ, পরহেজগার ও আল্লাহর উপাসনায় নিমগ্ন বান্দাগণ। “رِبِّيُّونَ” শব্দটি এসেছে “رَبّ” (রব/প্রভু) থেকে, যার অর্থ আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্কিত বা আল্লাহর প্রতি নিবেদিত। একই অর্থে ‘রাব্বানিয়ুন’ শব্দটি আসে। এ শব্দটি সূরাতু আলে-ইমরানের ৭৯ নাম্বার আয়াতে এসেছে।
সুতরাং রিব্বিয়ুন বলতে বোঝানো হয়েছে এমন একদল মানুষ, যারা আল্লাহর প্রভুত্ব ও দিকনির্দেশনার অধীনে জীবন পরিচালনা করে। (তাফসীর গরীব আল-কোরআন, কাওয়ারী: ৩/১৪৬) ।
﴿وَإِسْرَافَنَا﴾ ‘আর আমাদের অপচয়’, “ইসরাফ” অর্থ হলো- এমন বিষয়গুলোতে সীমা অতিক্রম করা, যেগুলোর একটি নির্দিষ্ট সীমা আছে এবং যেখানে থেমে যাওয়া উচিত। (তাফসীর গরীব আল-কোরআন, কাওয়ারী: ৩/১৪৭) । এই সংজ্ঞা থেকে বোঝা যায়, “ইসরাফ” কেবল অর্থের অপচয় নয়; বরং জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রে সংযম হারিয়ে সীমা লঙ্ঘন করাকেই ইসরাফ বলা হয়। যেমন: খাওয়া-দাওয়ায় প্রয়োজনের চেয়ে বেশি গ্রহণ করা, পোশাক বা বাসস্থানে অহেতুক বিলাসিতা করা এবং কথাবার্তায়, কাজকর্মে বা এমনকি ইবাদতে সীমারেখা না মানা, সবই “ইসরাফ”-এর অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং, “ইসরাফ” অর্থের দিক থেকে অতিরিক্ততা বা সংযমহীনতা, আর শরীয়তের দিক থেকে এটি অপছন্দনীয় ও নিন্দনীয় আচরণ, যা মানুষকে ন্যায়সঙ্গত ভারসাম্য থেকে বিচ্যুত করে।
﴿ثَوَابَ الدُّنْيَا﴾ ‘দুনিয়ার প্রতিদান’, আয়াতে “দুনিয়ার পুরস্কার” বলতে বোঝানো হয়েছে- বিজয়, জয়লাভ ও যুদ্ধলব্ধ সম্পদ। (তাফসীর গরীব আল-কোরআন, কাওয়ারী: ৩/১৪৮) । অর্থাৎ- আল্লাহ তাঁর অনুগত ও ধৈর্যশীল বান্দাদেরকে দুনিয়াতেই বিজয়, সম্মান ও সম্পদের মাধ্যমে পুরস্কৃত করেছেন, আর আখিরাতে দিবেন আরও উত্তম প্রতিদান।
﴿حُسْنَ ثَوَابِ الآخِرَةِ﴾ ‘আখেরাতের সওয়াব’, আয়াতে “আখিরাতের উত্তম প্রতিদান” বলতে বোঝানো হয়েছে- তাদের প্রতিপালকের সন্তুষ্টি লাভ, চিরস্থায়ী জান্নাতের আনন্দ ও সুখ, যা সকল দুঃখ ও অশুভ জিনিস থেকে মুক্ত। আর এই পুরস্কার তারা পেয়েছে এজন্য যে, তারা আল্লাহর জন্য তাদের কাজগুলো সুন্দরভাবে সম্পন্ন করেছিল, তাই আল্লাহ তাদেরকে দিয়েছেন সর্বোত্তম প্রতিদান। (তাফসীর গরীব আল-কোরআন, কাওয়ারী: ৩/১৪৮) । অর্থাৎ, আখিরাতের সাফল্যের মূল ভিত্তি হলো- বিশুদ্ধ নিয়ত ও উত্তম কর্ম, যার বিনিময়ে আল্লাহ দান করেন চিরন্তন প্রশান্তি ও সন্তুষ্টি।
উল্লেখিত আয়াতসমূহের সাথে পূর্বের আয়াতের সম্পর্ক:
ঘটনাপ্রবাহ এখনো উহুদের যুদ্ধের ঘটনাবলির ধারাবাহিকতা বর্ণনা করছে। আল্লাহ তাআলা এই আয়াতে পূর্ববর্তী আয়াতগুলোর পরিপূরক হিসেবে মুমিনদের ধৈর্যহীনতা, পশ্চাদপসরণ এবং যুদ্ধের সংকটময় মুহূর্তে রাসূলুল্লাহকে (সা.) একা ফেলে যাওয়ার ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। সে সময় রাসূলুল্লাহ (সা.) আহ্বান করেছিলেন: “হে আল্লাহর বান্দারা, আমার দিকে ফিরে আসো! হে আল্লাহর বান্দারা, আমার দিকে ফিরে আসো!”, তখন কিছু সাহাবি সাড়া দিয়ে তাঁর সঙ্গে পুনরায় যুক্ত হয়েছিলেন। এরপর আল্লাহ তাআলা এই আয়াতগুলোতে পূর্ববর্তী নবী-রাসূলগণ এবং তাঁদের সাহসী সহচরদের দৃঢ়তা, ধৈর্য ও আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্থার উদাহরণ তুলে ধরেছেন, যেন মুসলমানরা তাদের মতো দৃঢ়চিত্ত ও ঈমানদৃঢ় হতে উৎসাহিত হয়। (আইসার আল-তাফাসির, আবু বকর আল-জাযায়েরী, ১/৩৮৮)।
আয়াতসমূহের শিক্ষা:
উল্লিখিত আয়াতসমূহে আল্লাহ তায়ালা উহুদের যুদ্ধে মুসলমানদের মনোবল ভেঙে যাওয়ার পর তাঁদেরকে সান্তনা ও শিক্ষা দিতে পূর্ববর্তী নবী-রাসূল ও তাঁদের অনুসারীদের সংগ্রামী জীবনের উদাহরণ তুলে ধরেছেন। মূলত এটি মুসলমানদেরকে পুনরায় দৃঢ় ঈমান, ধৈর্য ও আল্লাহনির্ভরতার দিকে আহ্বান করে।
১। প্রথম দুইটি আয়াতে আল্লাহ তায়ালা পূর্ববর্তী নবী-রাসূল ও তাদের অনুসারীদের চারটি বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন:
(ক) নবী-রাসূলদের সংগ্রাম ও দৃঢ়তা, তাঁরা কেবল দাওয়াতদাতা ছিলেন না; বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণকারী নেতা ছিলেন। তাঁদের লক্ষ্য ছিল আল্লাহর কালিমা উঁচু করা, ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা ও তাওহিদের পতাকা সুদৃঢ় করা। তাঁরা জানতেন জয়-পরাজয় নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টিই প্রকৃত সফলতা। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মিশনে তারা কখনো ভয় পাননি, ক্লান্ত হননি, কিংবা শত্রুর ভয়ে পিছু হটেননি। বরং তাঁরা তাঁদের মিশনে অবিচল থেকেছেন।
(খ) মুমিন অনুসারীদের অবিচলতা ও ধৈর্য, এই অংশে নবীদের সঙ্গী মুমিনদের চরিত্র ফুটে উঠেছে। তারা বুঝেছিল- আল্লাহর পথে সংগ্রাম মানেই পরীক্ষার মুখোমুখি হওয়া। তাই বিপদ, পরাজয় বা শহীদ হওয়ার খবরেও তারা ভীত হয়নি। বরং তাদের মনোবল আরও দৃঢ় হয়েছে।
(গ) বিনয়, আত্মসমালোচনা ও ক্ষমা প্রার্থনা, যুদ্ধের ভয়াবহ মুহূর্তেও তারা নিজেদের ত্রুটি ও গাফিলতির কথা স্বীকার করেছে। তারা মনে করত জয় বা পরাজয় আল্লাহর হাতে, আর নিজেদের দুর্বলতা তাঁর রহমতের আশায় লুকানো নয়।
(গ) দোয়ার মাধ্যমে দৃঢ়তা ও বিজয়ের আকাক্সক্ষা, এটি ছিল তাঁদের আল্লাহনির্ভরতার প্রকাশ। তারা জানত, বিজয় অস্ত্রে নয়, বরং আল্লাহর সাহায্যে। তাই যুদ্ধের মাঝেও তাঁরা দোয়ার মাধ্যমে আত্মিক শক্তি আহরণ করতেন। যখন মানুষ তার দুর্বলতা উপলব্ধি করে এবং আল্লাহর সাহায্য কামনা করে, তখন আল্লাহ তার অন্তরে দৃঢ়তা ও স্থিরতা দান করেন। এটি ইমানের সর্বোচ্চ প্রকাশ।
২। আল্লাহ তায়ালা পূর্ববর্তী মুসলমানদেরকে তাদের সাহসিকতা, দৃঢ়তা ও বিপদে ধৈর্যের কারণে দুইটি পুরস্কার দিয়েছেন, ১৪৮ নং আয়াতে তার বিবরণ এসেছে:
(ক) দুনিয়া ও আখেরাতে পুরস্কার, আয়াতের প্রথমাংশে বলা হয়েছে- আল্লাহ তাঁদের ধৈর্য ও সৎ আমলের পুরস্কার হিসেবে দুনিয়ায় জয়ের সম্মান, প্রশংসা ও মনোবল দিয়েছেন, আর আখিরাতে দিয়েছেন স্থায়ী জান্নাতের প্রতিশ্রæতি। এটি ইঙ্গিত করে যে, ঈমান ও ইখলাসের সঙ্গে আমল করলে মানুষ দুনিয়ায়ও সফল হয় এবং আখিরাতেও মর্যাদা পায়।
(খ) আল্লাহর ভালোবাসা, নবীদের সঙ্গীরা আল্লাহর ভালোবাসা পেয়েছিলেন; কারণ তাঁরা ইখলাসপূর্ণ, ধৈর্যশীল ও ইহসানপূর্ণ আমলকারী ছিলেন। তাঁদের প্রতিটি কাজের লক্ষ্য ছিল আল্লাহর সন্তুষ্টি; তাই আল্লাহ তাঁদেরকে তাঁর নিজের ভালোবাসায় ভূষিত করেছেন, যা আয়াতের দ্বিতীয় অংশে বলা হয়েছে।
আয়াতসমূহ থেকে করণীয় (আমল):
(ক) আল্লাহর পথে ধৈর্য ও দৃঢ়তা ধারণ করা, আল্লাহর আদেশ পালন ও তাঁর পথে চলার সময় যেকোনো কষ্ট, পরীক্ষা বা বাধার মুখে ধৈর্য ধরে স্থির থাকা এবং দ্বীনের প্রতি অটল থাকা।
(খ) শত্রু বা প্রতিকুলতার ভয়ে পিছপা না হওয়া, সত্যের পথে থাকলে ভয় বা হুমকিতে পিছিয়ে না গিয়ে সাহস ও ঈমানের শক্তিতে টিকে থাকা।
(গ) আল্লাহর সন্তুষ্টি ও সাহায্য কামনা করে কাজ করা, সব কাজ ও চেষ্টা কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে করা এবং সফলতার জন্য তাঁর সাহায্যের উপর নির্ভর করা।
(ঘ) নবী ও সৎ মানুষদের আদর্শ অনুসরণ করা, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে নবী-রাসূল ও সৎ ব্যক্তিদের ন্যায়নিষ্ঠা, ত্যাগ ও ধৈর্যের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করা।
(ঙ) সদকর্ম, ন্যায়পরায়ণতা ও ধৈর্য প্রদর্শন করা, সৎ কাজ করা, ন্যায়বিচার রক্ষা করা এবং বিপদে ধৈর্যশীল থেকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় থাকা।
